মফিজুল গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে ট্রেনের ছাদে কাঁঠাল নিয়ে ঢাকায় বিক্রি করার জন্য নিয়ে আসতেন। সালটা ১৯৭৮। বেশিরভাগ সময় ভাড়া দিতেন না। মাঝেমধ্যে গার্ড অথবা অ্যাটেন্ডেন্স কে এক টাকা দিতেন। যা তার পকেটেই থেকে যেত।সরকারি কোষাগরে জমা হতো না।
আজ ৪৮ বছর পর এরকম অনুশোচনায় ভুগছেন গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মফিজুল। চিন্তা করেন কিভাবে দায়মুক্ত হওয়া যায়। সেই চিন্তা থেকেই গত ১ এপ্রিল মফিজুল গাজীপুরের শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টারের কাছে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি খুলে বলেন। অতঃপর হিসাব নিকাশ করে বিশ হাজার টাকা জমা দেন মফিজুল। স্টেশন মাস্টারের কাছে তৎক্ষণাৎ ২০ হাজার টাকার রশিদ না থাকায় তিনি কমলাপুরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানান। অবশেষে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশেষ একটি রশিদের মাধ্যমে মফিজুলের ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করে গত ৬ এপ্রিল সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়। এসময় রেলওয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এ ধরনের বকেয়া পরিশোধ করার নিয়ম বাংলাদেশ রেলওয়েতে রয়েছে। এখানে আইনি কোন সমস্যা নেই।
মফিজুল বর্তমানে গাজীপুর শ্রীপুরে ফাতেমা তুজ জোহরা নামের একটি মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন। তার এরকম মানসিকতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ দেশের প্রধান সব পত্র-পত্রিকায় প্রশংসা সূচক লেখালেখির ঝড় উঠেছে।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Leave a Reply