নোটিশ :
hellosaidpur24news.com-এ জরুরি ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।🔎 প্রতিষ্ঠান: HelloSaidpur24News🌐 ওয়েবসাইট: hellosaidpur24news.com 📝 শূন্যপদসমূহ: 1️⃣ নিউজ রিপোর্টার (সৈয়দপুর ও আশেপাশের এলাকা) 2️⃣ সাব-এডিটর 3️⃣ কনটেন্ট রাইটার 4️⃣ ফটো/ভিডিও জার্নালিস্ট✅ যোগ্যতা: সাংবাদিকতায় আগ্রহ ও অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার শুদ্ধ বাংলা লিখতে ও সম্পাদনা করতে পারদর্শী স্মার্টফোন/ক্যামেরা দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণে দক্ষতা অনলাইন নিউজ পোর্টালে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে বাড়তি সুবিধা
সংবাদ শিরোনাম:
সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নি’হ’ত বেড়ে ৫ সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণার্থী বহনকারী বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে নিহত এক, আহত অর্ধশতাধিক। নীলফামারীতে মোটরসাইকেলে পাঁচ বছরের শিশু অ প হ র ণ এলাকাবাসীর উদ্বেগ প্রকাশ,, দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত জন্মবার্ষিকী পালিত সৈয়দপুরে ইকু গ্রুপের ৩০০ পরিবারের মাঝে কুরবানির মাংস বিতরণ। দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ ময়দানে ঈদের জামাতে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা। রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে এসির গ্যাস লিকেজ থেকে এক ওয়ার্ডে ৬ শিশুর মৃত্যু নীলফামারীতে শিশুকে যৌ’ন নিপীড়নের অভিযোগে মক্তবের শিক্ষক আটক সৈয়দপুরে তিন ভাইসহ ৪ অনলাইন জুয়াড়ি গ্রেপ্তার.. সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক করার দাবিতে মানববন্ধন।

আমেরিকা নির্বাচন ২০২০: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতার চাবিকাঠি কেন ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেটগুলোর হাতে

আমেরিকায় হোয়াইট হাউসে যাবার দৌড়ে নির্বাচন পদ্ধতি অন্য দেশের তুলনায় ভিন্ন এবং কিছুটা জটিল।

কোন একজন প্রার্থী নাগরিকদের সরাসরি ভোট পেলেই যে তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন – তা নয়।

বরং ইলেকটোরাল কলেজ নামে যুক্তরাষ্ট্রের যে বিশেষ নির্বাচনী ব্যবস্থা আছে – আসলে তার মাধ্যমেই ঠিক হয় কে হবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।

তেসরা নভেম্বরের নির্বাচনে প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের যে ভোটগুলো পাবেন, সেটাকে বলা হয় পপুলার ভোট। ইলেকটোরাল কলেজের ভোটকে বলা যায় ‘ইলেকটোরাল ভোট।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যক ইলেকটোরাল ভোট আছে।

দুটি ছাড়া প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের নিয়ম হলো – যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি পপুলার ভোট পাবেন, তিনি ওই রাজ্যের সবগুলো ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে যাবেন।

এইভাবে সবগুলো রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ হয়ে যে প্রার্থী ২৭০টি ভোট পাবেন – তিনিই নির্বাচিত হবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

‘নির্বাচনী রণক্ষেত্র’

কারা এই ইলেকটোরাল কলেজ ? এরা হচ্ছেন একদল নির্বাচকমণ্ডলী বা কর্মকর্তা – যারা একেকটি রাজ্যের পপুলার ভোটে প্রতিফলিত রায় অনুযায়ী ভোট দেন।

এটি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত এবং রাষ্ট্র ও কেন্দ্রীয় আইনের অধীনে একটি জটিল ব্যবস্থা।

ইলেকটোরাল কলেজে মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮। হোয়াইট হাউজের দৌড়ে বিজয়ী হতে হলে প্রার্থীকে এর মধ্যে ২৭০টি ভোট পেতে হবে।

ফলে প্রার্থীদের কাছে কিছু কিছু অঙ্গরাজ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। যেগুলোকে বলা হয় ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেট বা নির্বাচনী রণক্ষেত্র।

ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতি অনুযায়ী যেসব রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, সেসব রাজ্যে ইলেকটোরাল ভোটও বেশি।

ফলে এসব রাজ্য থেকে সর্বাধিক ইলেকটোরাল ভোট জেতার জন্য বিশেষ কিছু কিছু অঙ্গরাজ্যে প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়।

আমেরিকার নির্বাচনী ইতিহাসে দেখা গেছে বেশিরভাগ অঙ্গরাজ্যই নির্দিষ্ট কোন রাজনৈতিক দলের অনুকূলে ভোট দিয়ে থাকে।

প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীরা কিছুটা নিশ্চিত থাকেন যে, তারা প্রথাগতভাবে এইসব রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোটগুলো পাবেন।

আমেরিকান নির্বাচনে রিপাবলিকান দুর্গ বলে পরিচিত এই অঙ্গরাজ্যগুলোকে বলা হয় ‘রেড স্টেট’ বা ‘লাল রাজ্য’ আর ডেমোক্র্যাটদের প্রাধান্য পাওয়া স্টেটগুলোকে বলা হয় ‘ব্লু স্টেট’ বা ‘নীল রাজ্য’।

কিন্তু হাতে গোণা কিছু অঙ্গরাজ্য আছে যে রাজ্যগুলোর ভোট, প্রার্থীদের কারণে যে কোন শিবিরে যেতে পারে।

এগুলোই হল আমেরিকান নির্বাচনের ব্যাটলগ্রাউন্ড বা নির্বাচনী রণক্ষেত্র। এগুলোকেই অনেকে বলে থাকে ‘বেগুনি রাজ্য’।

আর এই অঙ্গরাজ্যগুলোর ভোটই শেষ পর্যন্ত হয়ে দাঁড়ায় জয় পরাজয়ের মূল চাবিকাঠি। এই রাজ্যগুলোতেই হয় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

এসব রাজ্যেই প্রচারণার বিনিয়োগ ও ব্যয় সবচেয়ে বেশি। এসব রাজ্যেই ঘন ঘন চলে প্রার্থীদের আনাগোণা, তাদের প্রচারণা সমাবেশ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Comments are closed.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com