সৈয়দপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা: বুটিক্স ও পাকিস্তানি পোশাকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা
নিজস্ব প্রতিবেদক, সৈয়দপুর:
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাণিজ্যিক শহর সৈয়দপুরের বিপণিবিতানগুলোতে বইছে উৎসবের হাওয়া। দিন যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। শহরের শপিং মল থেকে শুরু করে ফুটপাত—সবখানেই এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
পোশাকের বাজারে নতুনত্বের ছোঁয়া:
এবারের ঈদে মেয়েদের পোশাকের বাজারে ব্যাপক বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে। বিক্রেতাদের মতে, এবার বিক্রির শীর্ষে রয়েছে দিল্লির বুটিক্স এবং পাকিস্তানি তাওয়াক্কাল ব্র্যান্ডের পোশাক। এছাড়া লারিশা, ফার্সি ড্রেস ও বিভিন্ন ডিজাইনের কুর্তির প্রতি তরুণীদের বিশেষ আকর্ষণ লক্ষ্য করা গেছে। আভিজাত্য খুঁজতে অনেক ক্রেতা বেছে নিচ্ছেন অর্গেঞ্জা ও মসলিন বুটিক্স। বাজারের নতুন কালেকশন হিসেবে ‘ইয়োর চয়েজ’, ‘শটগান’ এবং ‘লাক্সারি গর্জিয়াস’ সেটগুলো নজর কাড়ছে সবার।
ক্রেতা-বিক্রেতা দরকষাকষি:
বাজার ঘুরে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, গত বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম অনেকটাই চড়া। তবে বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারে কাপড়ের দাম বেশি এবং পরিবহন খরচ বাড়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। বেশি দামে কেনায় তারা কমে বিক্রি করতে পারছেন না।
বাজেট নিয়ে দুশ্চিন্তা, তবুও ঈদ আনন্দ:
সরকারি এক কর্মচারীর কণ্ঠে ঝরে পড়ল মধ্যবিত্তের সীমাবদ্ধতার কথা। তিনি হাসিমুখে আক্ষেপ করে বলেন, “ঈদের যে বোনাস পেয়েছি, তা দিয়ে পরিবারের কেনাকাটা শুরু করলে অন্যদের জন্য আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। তবুও পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে কেনাকাটা তো করতেই হবে।”
ঈদ মানেই নতুন জামা, আর নতুন টুপিতে খুশির আমেজ। সব সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরের প্রতিটি ঘরে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক—এমনটাই প্রত্যাসৈয়দপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা: বুটিক্স ও পাকিস্তানি পোশাকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা
নিজস্ব প্রতিবেদক, সৈয়দপুর:
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাণিজ্যিক শহর সৈয়দপুরের বিপণিবিতানগুলোতে বইছে উৎসবের হাওয়া। দিন যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। শহরের শপিং মল থেকে শুরু করে ফুটপাত—সবখানেই এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
পোশাকের বাজারে নতুনত্বের ছোঁয়া:
এবারের ঈদে মেয়েদের পোশাকের বাজারে ব্যাপক বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে। বিক্রেতাদের মতে, এবার বিক্রির শীর্ষে রয়েছে দিল্লির বুটিক্স এবং পাকিস্তানি তাওয়াক্কাল ব্র্যান্ডের পোশাক। এছাড়া লারিশা, ফার্সি ড্রেস ও বিভিন্ন ডিজাইনের কুর্তির প্রতি তরুণীদের বিশেষ আকর্ষণ লক্ষ্য করা গেছে। আভিজাত্য খুঁজতে অনেক ক্রেতা বেছে নিচ্ছেন অর্গেঞ্জা ও মসলিন বুটিক্স। বাজারের নতুন কালেকশন হিসেবে ‘ইয়োর চয়েজ’, ‘শটগান’ এবং ‘লাক্সারি গর্জিয়াস’ সেটগুলো নজর কাড়ছে সবার।
ক্রেতা-বিক্রেতা দরকষাকষি:
বাজার ঘুরে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, গত বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম অনেকটাই চড়া। তবে বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারে কাপড়ের দাম বেশি এবং পরিবহন খরচ বাড়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। বেশি দামে কেনায় তারা কমে বিক্রি করতে পারছেন না।
বাজেট নিয়ে দুশ্চিন্তা, তবুও ঈদ আনন্দ:
সরকারি এক কর্মচারীর কণ্ঠে ঝরে পড়ল মধ্যবিত্তের সীমাবদ্ধতার কথা। তিনি হাসিমুখে আক্ষেপ করে বলেন, “ঈদের যে বোনাস পেয়েছি, তা দিয়ে পরিবারের কেনাকাটা শুরু করলে অন্যদের জন্য আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। তবুও পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে কেনাকাটা তো করতেই হবে।”
ঈদ মানেই নতুন জামা, আর নতুন টুপিতে খুশির আমেজ। সব সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরের প্রতিটি ঘরে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক—এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।শা সকলের।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Leave a Reply