নোটিশ :
hellosaidpur24news.com-এ জরুরি ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।🔎 প্রতিষ্ঠান: HelloSaidpur24News🌐 ওয়েবসাইট: hellosaidpur24news.com 📝 শূন্যপদসমূহ: 1️⃣ নিউজ রিপোর্টার (সৈয়দপুর ও আশেপাশের এলাকা) 2️⃣ সাব-এডিটর 3️⃣ কনটেন্ট রাইটার 4️⃣ ফটো/ভিডিও জার্নালিস্ট✅ যোগ্যতা: সাংবাদিকতায় আগ্রহ ও অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার শুদ্ধ বাংলা লিখতে ও সম্পাদনা করতে পারদর্শী স্মার্টফোন/ক্যামেরা দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণে দক্ষতা অনলাইন নিউজ পোর্টালে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে বাড়তি সুবিধা
সংবাদ শিরোনাম:
নীলফামারী জেলার ডোমারে ৪০ দিনের কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)-তে মাটিকাটার কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২ হাজার টাকা ঘুস নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জমজমাট আয়োজনে শেষ হলো সৈয়দপুর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির ক্রিকেট টুর্নামেন্ট নীলফামারী সদরের কচুকাটা বাজারে অ’বৈধভাবে সার মজুদ,৭৪৮ বস্তা জব্দ, ২০ হাজার টাকা জ’রিমানা। সৈয়দপুর মিস্ত্রীপাড়ায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০, আশঙ্কাজনক একজন সৈয়দপুরে সানফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সৈয়দপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২২৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে সোস,, সৈয়দপুর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতি”র ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন,, নীলফামারীর ডিমলায় শখের বাগান থেকে নাসরিনের আয় এখন প্রতি মাসে লাখ টাকা ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সৈয়দপুরে উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় জশনে জুলুস রাত আটটার পর দোকান খোলা থাকায় জরিমানা
দু’জন শিক্ষক দিয়ে চলছে নীলফামারীর জলঢাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

দু’জন শিক্ষক দিয়ে চলছে নীলফামারীর জলঢাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় মাত্র দুজন শিক্ষক দিয়েই চলছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম। এতে বিঘ্ন হচ্ছে ৩ গ্রামের ১০৭ কোমলমতি শিশুদের পাঠদান। উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের সিংড়িয়া বনচুকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এটি।

জানা গেছে, ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টিতে অনুমোদিত শিক্ষক সংখ্যা ৪ জন। ৫ টি শ্রেণীর মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ১০৭ জন। তবে ২ জন শিক্ষক অবসর গ্রহণ করায় নতুন কোন শিক্ষককে নিয়োগ না দেয়ায় ব্যাহত হচ্ছে ওই স্কুলের পাঠদান।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্কুল প্রতিষ্ঠা থেকে ৪ জন শিক্ষক দিয়ে সুন্দরভাবে পাঠদান চলে আসছিলো। এমতাবস্থায় ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুর রহমান। এরপর চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি অবসরে যান সিনিয়র সহকারী শিক্ষক অমৃত কুমার রায়। তারপর থেকে ২ জন শিক্ষক দিয়েই চলছে ওই স্কুলের কার্যক্রম। দুজন শিক্ষকের মধ্যে সুধীর চন্দ্র রায় জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হওয়ায় একইসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। অফিসিয়াল কাজ, মাসিক সভা বা উপজেলা সদরে যেতে হলে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম আরও স্থবির হয়ে পড়ে। এছাড়া বিদ্যালয়ে কোনো দপ্তরি না থাকায় সুধীর চন্দ্র রায়কে সকালবেলা স্কুলের দরজা খোলা, পতাকা উত্তোলন, ঘণ্টা বাজানোসহ যাবতীয় কাজ করতে হয়।

তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী লিমু আক্তার জানায়, স্যারেরা বেশি না থাকায় নিয়মিত ক্লাস হয় না। এতে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে।অভিভাবক দুলাল হোসেন বলেন, আমরা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব চিন্তিত। বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট থাকায় পড়ালেখায় আগ্রহ হারাচ্ছে তারা। আর দুজন শিক্ষক এতগুলো বাচ্চাকে সামলাবে কিভাবে?

সহকারী শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুধীর চন্দ্র রায় বলেন, ‘দুজন শিক্ষক দিয়ে ১০৭ জন শিক্ষার্থীকে পড়ানো সম্ভব নয়। তাই দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ না দিলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ হুমকিতে পড়তে পারে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে প্রয়োজনে সংযুক্তি বদলি দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের অনুরোধ জানান তিনি।’

এ বিষয়ে জলঢাকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুস সামাদ বলেন, ‘চলমান শিক্ষক নিয়োগের নিরসন হলেই আমাদের জলঢাকা উপজেলার কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়েই শিক্ষক সংকট থাকবে না।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Comments are closed.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com